কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১১:০১ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০৮-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৮-০৪-২০২৭
প্রেস রিলিজ
সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড।
বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সক্রিয় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দস্যুতা দমনে কোস্ট গার্ড নিয়মিত যৌথ অভিযান এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। বিগত দেড় বছর ধরে কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর মোট ৬১ জন সদস্য কে আটক করা হয়েছে। অভিযানগুলোতে ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গোলা ও ১,৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে এবং দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে।
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত রাখবে।
তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের সাথে সম্পৃক্ত ও নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী ও খালে কোস্ট গার্ডের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও ডাকাত বাহিনীর কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।
(ব্রিফিং প্রদানকারী কর্মকর্তাঃ লেঃ সাকিব ইমরান, এক্স, বিএন, নেভিগেটিং কর্মকর্তা বিসিজিএস স্বাধীন বাংলা)
সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড।